কথা বলুন
আপনার ফাইন্যান্স, চালাই আমরা

প্রতিটা স্তরে লোক না নিয়েও, পুরো একটা ফাইন্যান্স টিম।

আমরা কাজ করি আপনার মাসিক ফাইন্যান্স টিম হয়ে, কিংবা আপনার বর্তমান অ্যাকাউন্ট্যান্টের পাশে থেকে: এন্ট্রি হালনাগাদ, মাস ক্লোজ নির্দিষ্ট তারিখে, দ্বিতীয় একজনের যাচাই, আর এমন রিপোর্টিং ও সিএফও সাপোর্ট, যা গড়ে উঠেছে শতাধিক ইউএসএ ক্লায়েন্টের কাজের ভেতর দিয়ে।

  • সফটওয়্যার আর ডেটা থাকে আপনারই
  • দাম লিখিতভাবে চূড়ান্ত
  • মাসে মাসে চুক্তি
  • ফোন করার জন্য নির্দিষ্ট একজন মানুষ

পুরো মাসটাই আমাদের হাতে দিন › অ্যাকাউন্ট্যান্ট আছেন, ওপরের স্তরটা দিন ›

প্রতি মাসে যা হাতে আসে

মাসিক রিপোর্ট প্যাক, প্রতি মাসে, এমন একটা তারিখে, যা ধরে আপনি পরিকল্পনা করতে পারেন।

  • লাভ-ক্ষতি, ব্যালান্স শিট, ক্যাশ ফ্লো
  • ব্যাংক, কার্ড আর মোবাইল ওয়ালেট রিকনসিলিয়েশন, সম্পূর্ণ
  • বাজেট বনাম বাস্তব, তারতম্যের ব্যাখ্যাসহ
  • কী বদলেছে, এমন এক প্যারায়, যা আপনি ফরোয়ার্ড করে দিতে পারেন
  • যে প্রশ্নগুলো আপনার করা উচিত বলে আমরা মনে করি

ইউএসএ-র স্টার্টআপ আর বেড়ে ওঠা কোম্পানিকে সেবা দিয়ে গড়া অভিজ্ঞতা

আমাদের ইউএসএ প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সেবা পাওয়া কিছু নির্বাচিত কোম্পানি। ঢাকার টিম কাজ করে সেই একই মানে।

কাদের আমরা সাহায্য করি

আগে কী দরকার, তা নির্ভর করে আপনি এখন কোথায় আছেন তার ওপর।

কাজ অনেকটা একই। শুরুর জায়গাটা আলাদা।

বাংলাদেশে বিদেশি মালিকানার ব্যবসা

সাবসিডিয়ারি, ব্রাঞ্চ বা লিয়াজোঁ অফিস, যার প্যারেন্ট কোম্পানির দরকার এমন হিসাব, যা কনসলিডেট করা যায়।

  • আপনার গ্রুপ রিপোর্টিং যে ফরম্যাট নেয়, সেই ফরম্যাটে হিসাব
  • ইংরেজিতে মাসিক প্যাক, নির্দিষ্ট তারিখে
  • অডিটরের হাতে হস্তান্তর, কোনো দৌড়ঝাঁপ ছাড়াই
দেখতে কেমন ›

বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি ব্যবসা

একজন পার্টটাইম অ্যাকাউন্ট্যান্টে আর কুলাচ্ছে না, অথচ পুরো ফাইন্যান্স টিম এখনো কয়েক বছর দূরে।

  • এন্ট্রি, রিকনসিলিয়েশন, আর এমন একটা মাস, যা সত্যিই ক্লোজ হয়
  • এমন রিপোর্ট, যা আপনি পড়তে পারেন, ট্রায়াল ব্যালান্স নয়
  • সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জিজ্ঞেস করার মতো একজন মানুষ
দেখতে কেমন ›

যাঁরা টাকা তুলছেন

একজন ইনভেস্টর, ব্যাংক বা ক্রেতা আপনার হিসাব খুঁটিয়ে দেখতে যাচ্ছেন।

  • ডিলিজেন্স যত দূর যাবে, হিসাবও তত দূর পর্যন্ত পরিষ্কার
  • এমন মডেল আর ডেটা রুম, যা প্রশ্নের মুখে টেকে
  • প্রশ্ন আসার আগেই উত্তর তৈরি
দেখতে কেমন ›

যে খাতগুলো আমাদের চেনা: টেক স্টার্টআপ আর সফটওয়্যার, এজেন্সি ও সেবা ব্যবসা, ই-কমার্স ও এফ-কমার্স, বিদেশে বিক্রি করা ব্যবসা। আপনারটা তালিকায় নেই? আমরা কাজ করি ফাইন্যান্সের সমস্যা ধরে, খাতের নাম ধরে নয়।

আমরা কী করি

আপনি কোন সমস্যার সমাধান খুঁজছেন, সেই হিসাবে সাজানো।

প্রতিটার ভেতরে ঠিক কী কী আছে, লেখাই আছে।

মাসিক অ্যাকাউন্টিং

যদি চান প্রতি মাসে কাজটা আমরাই চালাই

ঠিক করা আর গুছিয়ে দেওয়া

হিসাব যদি পিছিয়ে থাকে, বা এখনো কোনো সিস্টেমই না থাকে

পরামর্শ আর প্রশিক্ষণ

হিসাব আছে, কিন্তু সিদ্ধান্তটা আসছে না, এমন হলে

আপনার অ্যাকাউন্ট্যান্টের সাথে

যদি আপনার একজন হিসাবের মানুষ থাকেন, আর তাঁকে রাখতেই চান

দৈনন্দিন কাজ থাকে আপনার মানুষের হাতেই। ওপরে আমরা যোগ করি ক্লোজ, দ্বিতীয় জোড়া চোখ আর রিপোর্টিং।

যেসব টুলে আমরা কাজ করি

আমাদের ইউএসএ প্র্যাকটিস থেকে

যে কাজ আমরা করেছি, আর তাতে কী বদলেছে।

এগুলো আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্র্যাকটিসের কাজ, বাংলাদেশের ক্লায়েন্ট নয়, আর ক্লায়েন্টের নামও প্রকাশ করা হয়নি। এখানে রাখা হয়েছে কারণ ঢাকায় আপনার কাজও ঠিক এই মানেই হয়।

প্রতিটার সাথে পুরো গল্পের লিংক: পরিস্থিতি কী ছিল, আমরা কী করেছি, আর কী বদলেছে।

কেন আমরা

ফাইন্যান্স টিমের সুবিধা, টিম না বানিয়েই।

তফাতটা গড়ে দেয় চারটা জিনিস। কারও সাথে কথা বলার আগেই চারটাই নিজে যাচাই করে নিতে পারেন।

প্রতি মাসের কাজে দুজন মানুষ

যিনি আপনার হিসাব তৈরি করেন, তিনি সেটা চূড়ান্ত অনুমোদন দেন না; দেন আরেকজন। ফাইন্যান্স টিমের ভেতরে এটা খুব সাধারণ নিয়ম, কিন্তু একজন মাত্র কর্মী দিয়ে অসম্ভব, তিনি যত ভালোই হোন। আর এ কারণেই এখানে কেউ চাকরি ছাড়লেও আপনার হিসাব থেমে থাকে না।

দাম পাতাতেই লেখা আছে

মিনিটখানেকের মধ্যে বের করে নিন আপনার খরচ কত হবে, তারপর কাজ শুরুর আগেই তা লিখিতভাবে চূড়ান্ত। বাংলাদেশের বাজারে এই কাজটা আর কেউ করে না।

মানটা এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে

উনিশ বছর আর একশোর বেশি এনগেজমেন্টের অভিজ্ঞতায় এই কাজের পদ্ধতিটা দাঁড়িয়েছে। কাজ হয় ঢাকায়, সেই মানেই। আর কোনো সংখ্যা কেন বদলাল জানতে চাইলে উত্তর দেন সেই একই মানুষ।

আপনার মানুষটি থাকছেন

হিসাব আর অ্যাডমিন দুটোই সামলান, এমন কেউ আছেন? তাঁকে রাখুন। দৈনন্দিনটা তাঁর হাতে; আমরা যোগ করি নির্দিষ্ট তারিখের ক্লোজ আর সেই দ্বিতীয় জোড়া চোখ, যা ধরে ফেলে যাচাই-না-হওয়া খাতার লুকোনো জিনিসগুলো: বাসি পাওনা, দুবার করা পেমেন্ট, খাতার সাথে না মেলা ক্যাশ। একটা স্তর, বদলি নয়।

কীভাবে চলে ›

দ্বিতীয় একজন নিয়োগের আসল খরচ, সব ধরে

ঘরের ভেতরে দ্বিতীয় জোড়া চোখ মানে দ্বিতীয় একজন দক্ষ নিয়োগ। সব খরচ ধরলে সেই নিয়োগটা দেখতে এমন।

আরেকজন অ্যাকাউন্টস অফিসার যোগ করা, সব খরচ ধরেমাসে ৳ ৩৭,৬৬০
বেতন৳ 27,000
বাকি সবকিছু৳ 10,660

মালিকদের মাথায় সাধারণত থাকে শুধু বেতনের অঙ্কটা। বাকিটা হলো দুই ঈদের বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড আর একটা ডেস্কের খরচ।

আমাদের যোগ করা স্তরটার খরচ এর একটা ভগ্নাংশ, আর ফি ঠিক হয় আপনার অবস্থা আর বেছে নেওয়া সেবা ধরে; এস্টিমেটরে তা দেখতে লাগে মিনিটখানেক।

এস্টিমেটরে আপনার সংখ্যাটা দেখুন ›

মাসে ২৭,০০০ টাকা বেতন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের চাকরির বিজ্ঞাপনে অ্যাকাউন্টস অফিসারের বেতনের মাঝামাঝি অঙ্ক। এর সাথে দুই ঈদের বোনাস, ৮ শতাংশ হারে প্রভিডেন্ট ফান্ড আর একটা ডেস্কের খরচ যোগ করা। মাঝের ব্যান্ডে মাসে ৮০০ পর্যন্ত লেনদেন আর ৬টা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট ধরা। আপনার নিজের সংখ্যা আলাদা হতে পারে; টুলস পাতায় একটা ক্যালকুলেটর আছে, যা আপনার সংখ্যা দিয়েই হিসাব করে।

পুরো তুলনাটা দেখুন

অন্যদের পাশে আমরা

খরচ কত, কার সাথে আপনার কথা হয়, আর কাজটা যাচাই করে কে।

বিকল্পগুলোর পাশাপাশি রেখে দেখা, যেগুলো আমরা নই সেগুলোসহ। বেতনের অঙ্কটা প্রকাশিত তথ্য থেকে নেওয়া, আমাদের অনুমান নয়।

ফিনসাইটিক

আপনার খরচ কত
এই সাইটেই প্রকাশিত, লিখিতভাবে চূড়ান্ত
আসলে কার সাথে আপনার কথা হয়
যিনি আপনার মাস ক্লোজ করেন, তিনি নিজেই
কাজ যাচাই করে কে
দ্বিতীয় একজন, আপনার কাছে পৌঁছানোর আগে
অসুস্থ হলে বা চাকরি ছাড়লে
কাভার আছে
স্ট্যাটিউটরি অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং
না, লাইসেন্সধারী ফার্মের কাছে পাঠানো হয়
বিদেশি প্যারেন্ট কোম্পানি যে রিপোর্ট গ্রহণ করবে
হ্যাঁ
ছেড়ে যেতে চাইলে
মাসে মাসে চুক্তি

আর বিকল্পগুলো, একটা একটা করে:

একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ
আপনার খরচ কত
অভিজ্ঞতাভেদে মাসে প্রায় ৳২৩,০০০ থেকে ৳৬৬,০০০, বেতন, ঈদ বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড আর ডেস্কের খরচ ধরলে
আসলে কার সাথে আপনার কথা হয়
যাঁকে আপনি নিয়োগ দিয়েছেন
কাজ যাচাই করে কে
কেউ না
অসুস্থ হলে বা চাকরি ছাড়লে
আপনার হিসাব থেমে যায়
স্ট্যাটিউটরি অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং
না
বিদেশি প্যারেন্ট কোম্পানি যে রিপোর্ট গ্রহণ করবে
নির্ভর করে কাকে নিয়োগ দিলেন তার ওপর
ছেড়ে যেতে চাইলে
নোটিশ পিরিয়ড আর হস্তান্তর
পাড়ার হিসাবরক্ষক
আপনার খরচ কত
খুব কমই প্রকাশ করা হয়
আসলে কার সাথে আপনার কথা হয়
একজনই, সাধারণত মালিক নিজে
কাজ যাচাই করে কে
সাধারণত কেউ না
অসুস্থ হলে বা চাকরি ছাড়লে
আপনার হিসাব অপেক্ষায় থাকে
স্ট্যাটিউটরি অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং
না
বিদেশি প্যারেন্ট কোম্পানি যে রিপোর্ট গ্রহণ করবে
কদাচিৎ
ছেড়ে যেতে চাইলে
একেক জায়গায় একেক রকম
সিএ ফার্ম
আপনার খরচ কত
খুব কমই প্রকাশ করা হয়
আসলে কার সাথে আপনার কথা হয়
প্রথমে একজন পার্টনার, তারপর এমন একটা টিম, যাদের সাথে আপনার দেখা হয় না
কাজ যাচাই করে কে
একজন রিভিউয়ার
অসুস্থ হলে বা চাকরি ছাড়লে
কাভার আছে
স্ট্যাটিউটরি অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং
হ্যাঁ
বিদেশি প্যারেন্ট কোম্পানি যে রিপোর্ট গ্রহণ করবে
হ্যাঁ
ছেড়ে যেতে চাইলে
এনগেজমেন্ট লেটার অনুযায়ী
বড় আউটসোর্সিং ফার্ম
আপনার খরচ কত
প্রকাশ করলে তা ডলারে, বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য
আসলে কার সাথে আপনার কথা হয়
টিমের ওপরে একজন অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার
কাজ যাচাই করে কে
একটা রিভিউ স্তর
অসুস্থ হলে বা চাকরি ছাড়লে
কাভার আছে
স্ট্যাটিউটরি অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং
নিজেরা করে বা সমন্বয় করে
বিদেশি প্যারেন্ট কোম্পানি যে রিপোর্ট গ্রহণ করবে
হ্যাঁ
ছেড়ে যেতে চাইলে
চুক্তির মেয়াদ ধরে

বেতনের রেঞ্জ বাংলাদেশের প্রকাশিত বেতন-তথ্য থেকে নেওয়া, ঈদ বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড আর ডেস্কের খরচসহ।

ইনসাইটস

কী বদলাচ্ছে, আর আপনার হিসাবের জন্য তার মানে কী।

৩০ আগস্ট ২০২৬  |  গাইড

যে বছর নিয়মকানুন আপনার হিসাবের খাতা পড়তে শুরু করল

শুধুই অনলাইনে ভ্যাট, স্টার্টআপের শূন্য টার্নওভার ট্যাক্স, ৯ শতাংশের এসএমই তহবিল, ফান্ড অব ফান্ডস আর একটাই বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ। বছরের সব বদল এক জায়গায়।

৩০ আগস্ট ২০২৬  |  পুঁজি তোলা

ফান্ড অব ফান্ডস চালু, আর এই টাকা আসে যাচাই-বাছাইয়ের হাত ধরে

৪০০ কোটি টাকার এক তহবিল এখন টাকা ঢালছে সেই ভিসি ফান্ডে, যারা স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে; সাথে এক-এর-বিপরীতে-এক ম্যাচিং নিয়ম। প্রতিষ্ঠাতাদের জন্য, আর তাঁদের হিসাবের খাতার জন্য, এর মানে কী।

৩০ আগস্ট ২০২৬  |  ফাইন্যান্স

৫,০০০ কোটি টাকার এসএমই তহবিল, আর যে রেকর্ড তার দরজা খোলে

নতুন এক রিফাইন্যান্স তহবিলে ঋণগ্রহীতার সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। কী পাওয়া যাচ্ছে, কারা যোগ্য, আর কেন আবেদনটা আসলে আপনার হিসাব রাখারই পরীক্ষা।

সব লেখা

প্রশ্ন-উত্তর

প্রায় প্রতিটা প্রথম কলে যা জিজ্ঞেস করা হয়।

প্রতি মাসে ঠিক কী কী আপনারা সামলান?

এন্ট্রি হালনাগাদ, প্রতিটা অ্যাকাউন্ট রিকনসাইল করা, নির্দিষ্ট তারিখে মাস ক্লোজ, দ্বিতীয় একজনের যাচাই, আর লাভ-ক্ষতি, ব্যালান্স শিট ও ক্যাশ ফ্লো-র প্যাক, সাথে সোজা ভাষায় লেখা, কী বদলাল আর কেন।

কাজটা করেন কে, আর যাচাই করেন কে?

যে ঢাকা টিম আমাদের ইউএসএ ক্লায়েন্টদের হিসাব চালায়, তারাই আপনার মাস তৈরি করে, আর আপনার কাছে পৌঁছানোর আগে দ্বিতীয় একজন তা যাচাই করেন। প্রথম কল থেকেই দুজনকে আপনি নামে চেনেন।

অডিট আর ট্যাক্স ফাইলিং কি আপনারা করেন?

না। আমরা কোনো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ফার্ম নই। স্ট্যাটিউটরি অডিট, ট্যাক্স ফাইলিং আর আইনি মতামত যায় লাইসেন্সধারী ফার্মের কাছে, আর আমরা তাদের হাতে তুলে দিই এমন হিসাব, যা নিয়ে সরাসরি কাজ করা যায়।

খরচ কত?

দামের পাতার এস্টিমেটর ফোন করার আগেই টাকায় একটা রেঞ্জ দেখায়, আর কাজ শুরুর আগে সঠিক দামটা লিখিতভাবে এনগেজমেন্ট লেটারে ওঠে। চুক্তি মাসে মাসে।

আমাদের বর্তমান অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা অডিটরের সাথে কি কাজ করতে পারবেন?

হ্যাঁ, আর এটা আমাদের একটা আলাদা নামের সেবা। দৈনন্দিন কাজ থাকে আপনার মানুষের হাতে, ওপরে আমরা যোগ করি ক্লোজ, যাচাই আর রিপোর্টিং, আর স্ট্যাটিউটরি কাজ থাকে আপনার অডিটরের হাতেই। কীভাবে কাজ করে ›

শুরু হোক আপনার হিসাব একবার দেখা দিয়ে।

ত্রিশ মিনিট, কোনো খরচ নেই। সৎভাবে বলে দেব আমরা কাজে লাগব কি না, আর লাগলে খরচ কত।

Abu Bakar, Founder and CEO of Finsightic Rabeya Eity, Head of Operations at Finsightic Omar Faruk, Operations Executive at Finsightic Abid Islam, Head of Technology at Finsightic

যে টিম আপনার মাস চালাবে। পরিচিত হোন ›

ফ্রি হিসাব রিভিউ দাম দেখুন