টাকা কোথা দিয়ে গলে যায়, আর কোন কাগজগুলো দুর্বল।
এটা কনসালটিং, অ্যাসিউরেন্স নয়। আমরা খুঁজি সেই জায়গাগুলো, যেখান দিয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়াই টাকা বেরিয়ে যেতে পারে, আর সেই কাগজগুলো, যা প্রশ্নের মুখে টিকবে না।
এটা কাদের জন্য
- ক্যাশ বা স্টক এমনভাবে নড়ে, যা কেউ পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না।
- সামনে অডিট, আর আপনি জানতে চান আগে কোনটা ধরা পড়বে।
- রিকনসিলিয়েশনের একই গরমিল বারবার ফিরে আসে।
কীভাবে চলে
- খরচ, কেনাকাটা, বিক্রি আর আদায়ের নিয়ন্ত্রণগুলোর পর্যালোচনা।
- রিকনসিলিয়েশন আর সমর্থক কাগজপত্র পরীক্ষা, ফাঁকগুলো খুঁজে।
- লিখিত ফাইন্ডিংস নোট, কোনটায় কত খোয়াতে পারেন সেই ক্রমে সাজানো।
- ধরে ধরে কাজ করার মতো সংশোধনী তালিকা, ভাষণ নয়।
কী কী থাকছে।
- অ্যাকাউন্টিং স্বাস্থ্য পরীক্ষা
- ইন্টারনাল কন্ট্রোলের মূল্যায়ন
- রিকনসিলিয়েশনের পর্যালোচনা
- খরচ আর কেনাকাটার নিয়ন্ত্রণ পর্যালোচনা
- বিক্রি আর আদায়ের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা
- প্রক্রিয়ার ফাঁক বিশ্লেষণ
- কাগজপত্রের পর্যালোচনা
- সংশোধনী তালিকা
এটা একটা অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা। এটা স্ট্যাটিউটরি অডিট বা অ্যাসিউরেন্স এনগেজমেন্ট নয়, আর আমরা একে সেভাবে বর্ণনাও করি না।
যে কাজ আমরা করেছি, আর তাতে কী বদলেছে।
এগুলো আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্র্যাকটিসের কাজ, বাংলাদেশের ক্লায়েন্ট নয়, আর ক্লায়েন্টের নামও প্রকাশ করা হয়নি। এখানে রাখা হয়েছে কারণ ঢাকায় আপনার কাজও ঠিক এই মানেই হয়।
ক্রেতার সময়সীমার আগেই অডিটের জন্য তৈরি
সম্ভাব্য এক ক্রেতার কাছ থেকে কোম্পানিটা অডিটের অনুরোধ পায়। হিসাব রাখা হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু কখনো পর্যালোচনা হয়নি; কাগজপত্র ছিল পাতলা, আর রিকনসিলিয়েশন একেক জায়গায় একেক রকম।
পুরো ব্যালান্স শিট পর্যালোচনা হলো, পেছনের বারো মাসের রিকনসিলিয়েশন নতুন করে দাঁড় করানো হলো, আর ডিউ ডিলিজেন্স প্যাকেজ সাজানো হলো।
অডিট শেষ হলো উল্লেখযোগ্য কোনো ফাইন্ডিং ছাড়াই।
ত্রিশ মিনিট, আপনার হিসাবে একবার চোখ বোলানো, কোনো খরচ নেই। ফ্রি কন্ট্রোল রিভিউয়ের অনুরোধ করুন
ফাইন্ডিংগুলো যেভাবে সাজানো হয়।
যে কন্ট্রোল রিভিউ কোনো ক্রম ছাড়াই চল্লিশটা ফাইন্ডিং ধরিয়ে দেয়, তা আর রিভিউ না হওয়া একই কথা। আপনি পড়েন, মানেন সবই সত্যি, আর কিছুই করেন না। তাই ফলাফলটা সাজানো হয় কোন ফাঁকে আনুমানিক কত খোয়াতে পারেন সেই ক্রমে; কোনটা কত তাড়াতাড়ি বন্ধ করা যায় সেই ক্রমে নয়।
কোথায় তাকাব, তা-ও ঠিক হয় একই যুক্তিতে। ব্যবসা থেকে টাকা বেরোয় গোনাগুনতি কয়েকটা জায়গা দিয়ে, আর ঝুঁকি বসে থাকে সেখানেই, যেখানে দ্বিতীয় কোনো চোখ ছাড়া টাকা নড়তে পারে। খরচ আর কেনাকাটা, বিক্রি আর আদায়, আর যেখানে যেখানে ক্যাশ বা স্টক হাতবদল হয়।
কাগজের পরীক্ষাটা আসলে কী
- কাগজটা আছে কি না তা নয়; বরং এক বছর পরে কেউ চাইলে তা টিকবে কি না, যখন যিনি ফাইল করেছিলেন তিনি আর নেই।
- একই রিকনসিলিয়েশন গরমিল বারবার ফিরে আসছে কি না, যা সাধারণত অঙ্কের নয়, প্রক্রিয়ার দোষ।
- অনুমোদনটা টাকা নড়ার আগে হয়েছিল, নাকি ফাইল গোছাতে পরে লিখে রাখা হয়েছে।
- একজন মানুষ একাই একটা পেমেন্ট শুরু করে শেষ করতে পারে কি না। এই একটা প্রশ্নই বেশিরভাগ কন্ট্রোল ব্যর্থতাকে বাকিগুলো থেকে আলাদা করে।
আপনার টিম থাকছে। যাচাইটা গড়ে ওঠে তাঁদের ঘিরে।
কন্ট্রোল কোনো অভিযোগ নয়। এ-ই আপনাকে নিজের মানুষদের ভরসা করতে দেয়: কে কত পর্যন্ত কথা দিতে পারে, সই করে কে, আর যেখানে টাকা নড়ে সেখানে দ্বিতীয় জোড়া চোখ। যাচাই-না-হওয়া প্রক্রিয়া যে ফুটোগুলো লুকিয়ে রাখে, বাসি পাওনা, দুবার করা পেমেন্ট, ক্যাশের গরমিল, তা ধরা পড়ে বছরের বদলে সপ্তাহে।
এটা পরখ করার সবচেয়ে সহজ উপায় আপনার হিসাবে একবার চোখ বোলানো: ত্রিশ মিনিট, কোনো খরচ নেই, আর যা পাই তা বলে দিই, শুনতে ভালো লাগবে না এমন অংশগুলোসহ। দেখাটার অনুরোধ করুন ›
কল করার আগে।
এটা কি অডিট?
না, আর একে অডিট না বলার ব্যাপারে আমরা সতর্ক। স্ট্যাটিউটরি অডিট আর অ্যাসিউরেন্স আইসিএবি লাইসেন্সের কাজ। এটা অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা, আর এর ফলাফল একটা ফাইন্ডিংস নোট আর সংশোধনী তালিকা; কোনো মতামত নয়।
আসলে কী কী দেখেন আপনারা?
খরচ, কেনাকাটা, বিক্রি আর আদায়ের নিয়ন্ত্রণ। রিকনসিলিয়েশন আর তার পেছনের সমর্থক কাগজপত্র, চোখ বুলিয়ে নয়, ফাঁক খুঁজে পরীক্ষা করা। ক্যাশ বা স্টক যেখানে এমনভাবে নড়ে যা কেউ পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না, শুরুটা হয় সেখান থেকেই।
কিছু পেলে কী হয়?
আপনি পান কোনটায় কত খোয়াতে পারেন সেই ক্রমে সাজানো লিখিত ফাইন্ডিংস নোট, আর ধরে ধরে কাজ করার মতো সংশোধনী তালিকা। ক্রমটাই আসল। ক্রমহীন চল্লিশটা সমস্যার তালিকা আর কোনো তালিকা না থাকা একই কথা।
আমাদের সামনে অডিট। তার আগে এটা করা কি সার্থক?
মানুষ এটা চায়ই সবচেয়ে বেশি এই কারণে। কোন প্রশ্ন উঠবে তা অন্য কেউ তোলার আগে নিজে জেনে নেওয়াটা অনেক কম খরচের আলাপ।
আরও সাধারণ প্রশ্নের উত্তর আছে যোগাযোগ পাতায়।
শুরু হোক আপনার হিসাব একবার দেখা দিয়ে।
ত্রিশ মিনিট, কোনো খরচ নেই। সৎভাবে বলে দেব আমরা কাজে লাগব কি না, আর লাগলে খরচ কত।