মাসের পর মাস পিছিয়ে, নয়তো ঠিকভাবে শুরুই হয়নি।
এটা এককালীন কাজ, আর শুরুর আগেই দাম বলা হয়। আমরা এন্ট্রিগুলো নতুন করে তুলি, প্রতিটা অ্যাকাউন্ট রিকনসাইল করি, আর ফেরত দিই পরিষ্কার একটা শুরুর জায়গা, সাথে একটা নোট: কোনটা নিশ্চিত করা যায়নি, আর কেন।
এটা কাদের জন্য
- হিসাব থেমে গেছে বেশ আগেই, ঠিক কবে, কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।
- ব্যাংক, ইনভেস্টর বা অডিটর এমন একটা সময়ের হিসাব চেয়েছে, যা আপনি বের করে দিতে পারছেন না।
- সফটওয়্যার বদলেছেন, আর ব্যালান্সগুলো সেই ধকল সামলাতে পারেনি।
কীভাবে চলে
- আগে জমে থাকা কাজের পরিধি মাপি, তারপর দাম বলি। ঘণ্টা ধরে খোলা-শেষ বিল নেই।
- এন্ট্রি নতুন করে ওঠে মাস ধরে ধরে, পুরনো থেকে শুরু করে, যাতে প্রতিটা মাস আগেরটার ওপর দাঁড়িয়ে ক্লোজ হয়।
- প্রতিটা অ্যাকাউন্ট রিকনসাইল করা, আর যা মেলেনি তা চাপা না দিয়ে তালিকায় তুলে রাখা।
- লিখিত হস্তান্তর: কী ঠিক করা হলো, কোথায় অনুমান নিতে হলো, আর কোথায় এখনো আপনার সিদ্ধান্ত লাগবে।
কী কী থাকছে।
- চার্ট অব অ্যাকাউন্টস সাজানো ও ঠিক করা
- দেনা-পাওনার হিসাব রাখা
- ব্যাংক, কার্ড আর মোবাইল ওয়ালেট রিকনসিলিয়েশন
- খরচের খাত ভাগ করা আর কাগজপত্র
- মাস শেষ আর বছর শেষের ক্লোজিং
- পিছিয়ে থাকা হিসাবের ক্যাচ-আপ কাজ
- লেজার আর রেকর্ড ব্যবস্থাপনা
- নতুন করে দাঁড় করানো লেজার, যা নিয়ে আপনার অডিটর, ভ্যাট ফাইলকারী আর এনবিআর সবাই কাজ করতে পারে
যে কাজ আমরা করেছি, আর তাতে কী বদলেছে।
এগুলো আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্র্যাকটিসের কাজ, বাংলাদেশের ক্লায়েন্ট নয়, আর লোগোগুলো অনুমতি নিয়েই দেখানো হচ্ছে। এখানে রাখা হয়েছে কারণ ঢাকায় আপনার কাজও ঠিক এই মানেই হয়।
ইনভেস্টর ডিউ ডিলিজেন্সের আগে হিসাব রিকনসাইল
হিসাব অনেকটাই পিছিয়ে ছিল, আগের হিসাবরক্ষকের কোনো হস্তান্তর নোটও ছিল না। ইনভেস্টরের টার্ম শিট ঝুলে ছিল একটাই শর্তে: ডিউ ডিলিজেন্সের আগে পরিষ্কার ফাইন্যান্সিয়াল দিতে হবে।
নয় মাসের পুরোটা রিকনসাইল করা হলো, ভুল খাতে ওঠা এন্ট্রি ঠিক জায়গায় গেল, চার্ট অব অ্যাকাউন্টস নতুন করে সাজানো হলো, আর সাপোর্টিং শিডিউলসহ ইনভেস্টরের সামনে রাখার মতো স্টেটমেন্ট তৈরি হলো।
সময়সীমার আগেই পরিষ্কার ফাইন্যান্সিয়াল পৌঁছে গেল। ডিউ ডিলিজেন্স এগোল কোনো লাল পতাকা ছাড়াই। এরপর কোম্পানিটা একই টিমের হাতে মাসিক অ্যাকাউন্টিংয়ে চলে এল।
বছর শেষের সময়সীমার আগে এক বছরের জমা কাজ সাফ
কোম্পানিটার এক বছরের বেশি হিসাব রিকনসাইল করা ছিল না, আর বছর শেষের সময়সীমা এগিয়ে আসছিল। মালিক খরচের হিসাব রাখছিলেন এমন এক স্প্রেডশিটে, যা ব্যাংকের সাথে মিলত না।
জমে থাকা পুরোটা রিকনসাইল করা হলো, কস্ট অব গুডস আর ইনভেন্টরির হিসাব নতুন করে দাঁড় করানো হলো, আর তাঁদের অ্যাকাউন্ট্যান্টের যে স্টেটমেন্ট দরকার ছিল, তা বানিয়ে দেওয়া হলো।
সময়সীমার আগেই তাঁদের অ্যাকাউন্ট্যান্টের হাতে দরকারি স্টেটমেন্ট ছিল। মালিকের হাতে এখন পরিষ্কার একটা ভিত্তি, আর মাসিক অ্যাকাউন্টিং চলছে।
দোষ কাউকে দিতে হবে না। জঞ্জালটা শুধু সরাতে হবে।
জমে যাওয়া হিসাব সাধারণত মানুষের দোষ নয়, চাপের ফল। আপনার মানুষটি চলতি মাস চালাতে থাকুন; পেছনের স্তূপটা আমরা সাফ করি, প্রক্রিয়াটা লিখে দিই, আর ফিরিয়ে দিই এমন হিসাব, যা বন্ধই থাকে। কারও পক্ষ নেওয়া নেই, কাউকে সরানো নেই।
এটা পরখ করার সবচেয়ে সহজ উপায় একটা ফ্রি ব্যাকলগ রিভিউ। কোনো খরচ নেই, আর যা পাই তা বলে দিই, শুনতে ভালো লাগবে না এমন অংশগুলোসহ। ফ্রি ব্যাকলগ রিভিউয়ের অনুরোধ করুন ›
সাধারণ জিজ্ঞাসা
কত পেছন পর্যন্ত যান আপনারা?
যত পেছনে গেলে এমন একটা ওপেনিং ব্যালান্সে পৌঁছানো যায়, যা আপনি যুক্তি দিয়ে দাঁড় করাতে পারবেন। কখনো তা চার মাস। কখনো তিন বছর, কারণ কোনোদিন কিছুই মেলানো হয়নি। আমরা আগে দেখি, তারপর বলি আপনারটা কোনটা।
ক্যাচ-আপ কাজের দাম কীভাবে ঠিক হয়?
মাসিক ফি থেকে আলাদাভাবে, আর কাজ শুরুর আগেই লিখিতভাবে চূড়ান্ত। দাম নির্ভর করে লেনদেনের পরিমাণ আর কত পেছনে যেতে হবে তার ওপর। ঘণ্টা ধরে বিল হয় না, আর কাজ চলার মাঝপথে দামও বাড়ে না।
যে ফাইলিং জমা পড়ে গেছে, তা কি সংশোধন করতে হবে?
সে সিদ্ধান্ত আমাদের নেওয়ার নয়। আমরা তৈরি করি সংশোধিত রেকর্ড, আর আপনার হয়ে যে লাইসেন্সধারী ফার্ম ফাইল করে, তারাই ঠিক করে কোনটা সংশোধন করা দরকার, আদৌ দরকার কি না। তবে আমাদের চোখে কিছু সংশোধনের দিকে যাচ্ছে মনে হলে সেটা আপনাকে স্পষ্ট করেই বলব।
শেষে আমাদের হাতে কী থাকবে?
ক্লোজ করা আর রিকনসাইল করা এক সেট হিসাব, এমন একটা ওপেনিং ব্যালান্স, যা আঙুল দিয়ে দেখানো যায়, আর কী কী আসলে ভুল ছিল তার লিখিত তালিকা। শেষেরটাই সবচেয়ে জরুরি, কারণ যে কারণে জট পাকিয়েছিল তার বেশিরভাগ এখনো আপনার কাজের ধরনেই রয়ে গেছে।
আরও সাধারণ প্রশ্নের উত্তর আছে যোগাযোগ পাতায়।
আপনার হিসাবের ফ্রি রিভিউ নিন।
কোনো খরচ নেই। যা আছে পাঠিয়ে দিন, এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর পাবেন। সৎভাবে বলা থাকবে আমরা কাজে লাগব কি না, আর লাগলে খরচ কত।
