আপনার ফাইন্যান্সের পেছনের টিম।
ফিনসাইটিক যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ন্ত কোম্পানিগুলোর হিসাব রাখা, মাসিক রিপোর্টিং আর সিএফও সাপোর্টের কাজ চালায়। সেই কাজটা যাঁরা করেন, তাঁরা বসেন ঢাকায়। আমরা কারা, এখানে কীভাবে এলাম, আর কোন নীতিতে চলি, তা এই পাতায়।
কাজটা নতুন নয়। বাংলাদেশে সেবা দেওয়াটা নতুন।
বছরের পর বছর আমাদের ঢাকার টিম আমেরিকান সফটওয়্যার কোম্পানি, এজেন্সি আর ই-কমার্স ব্যবসার হিসাব রেখে আসছে, ইউএসএ মান আর ইউএসএ সময়সীমায়। নতুন অংশটা হলো বাংলাদেশের ক্লায়েন্টদের সরাসরি সেবা দেওয়া। টিম, প্রক্রিয়া আর মান, এর কোনোটাই নতুন নয়।
এখানকার ব্যবসা পায় সেই ফাইন্যান্সটাই, যা আমাদের ইউএসএ ক্লায়েন্টরা চালায়।
- একই সিস্টেম আর সফটওয়্যার
- একই মাস-শেষ: নির্দিষ্ট তারিখে, চেকলিস্ট ধরে ক্লোজ
- আপনার কাছে পৌঁছানোর আগে সেই একই দ্বিতীয় জোড়া চোখ
সোজাসুজি বললে: আমরা ঢাকার সবচেয়ে কম দামের বিকল্প নই, হতে চাইও না। আমরা সেই বিকল্প, যেখানে রিপোর্ট বলে দেয় কী বদলাল, কেন বদলাল।
টিমের সাথে পরিচয় হোক।
নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাতা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে; আর কাজটা ঢাকায় করেন সেই মানুষগুলোই, যাঁরা আমাদের ইউএসএ ক্লায়েন্টদের ক্লোজ চালান। দেশের ক্লায়েন্টের জন্য আলাদা কোনো জুনিয়র টিম নেই। একই ডেস্ক, একই চেকলিস্ট, একই রিভিউয়ার।
Abu Bakar
প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
ফিনসাইটিকের কৌশলের নেতৃত্ব দেন, আর গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও পরিচালনার সিদ্ধান্তে ক্লায়েন্টদের সাথে সরাসরি কাজ করেন। শতাধিক ক্লায়েন্ট এনগেজমেন্ট জুড়ে ১৯+ বছরের অভিজ্ঞতা; স্টার্টআপ থেকে ২.৫ কোটি ডলারের বেশি বার্ষিক আয়ের কোম্পানি পর্যন্ত।
Rabeya Eity
হেড অব অপারেশনস
দৈনন্দিন পরিচালনা, ক্লায়েন্ট ডেলিভারি আর বাংলাদেশ টিমের নেতৃত্ব দেন। মাসিক কাজের ধারা চলে তাঁর তত্ত্বাবধানে, আর ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছানোর আগে কাজ তিনি রিভিউ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্সে বিবিএ ও এমবিএ।
Omar Faruk
অপারেশনস এক্সিকিউটিভ
দৈনন্দিন পরিচালনা আর ক্লায়েন্ট ডেলিভারিতে সহায়তা করেন, আর মার্কেট ইনসাইট, ক্লায়েন্ট আপডেট ও ভেতরের কাজের পেছনের গবেষণাটা তিনি করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে বিএসএস ও এমএসএস।
Abid Islam
হেড অব টেকনোলজি
ফার্মের প্রযুক্তির নেতৃত্ব দেন: সিস্টেম, অটোমেশন, অ্যাকসেস ম্যানেজমেন্ট আর নিরাপত্তা, ক্লায়েন্টের ডেটা থেকে আমাদের কাজের টুল পর্যন্ত।
- নির্দিষ্ট একজন মানুষ আপনার কাজটা চালান, আর তাঁকে আপনি ফোন করতে পারেন।
- আপনার কাছে পৌঁছানোর আগে প্রতিটা মাস দ্বিতীয় একজনের চোখ দিয়ে যায়।
- ওয়ার্কিং পেপার, সফটওয়্যার আর ডেটা থাকে আপনার নামেই।
যিনি আপনার কাজ চালাবেন, প্রথম কলেই তাঁর সাথে আপনার নাম ধরে পরিচয় হয়।
যে নীতিতে আমরা চলি।
ফলাফলের দায় নেওয়া
আমরা কাজটা করি, শুধু পরামর্শ দিই না। এন্ট্রি উঠবে, মাস ক্লোজ হবে, রিপোর্ট যাবে। কাজ বলতে এটাই।
সোজা ভাষায় সংখ্যা
আর্থিক হিসাব এমন হওয়া উচিত, যা ব্যবসা চালানো মানুষটার কাছে বোধগম্য; ইংরেজিতে হোক বা বাংলায়। আমরা বুঝিয়ে বলি, পরিভাষার আড়ালে লুকাই না।
বীরত্ব নয়, ব্যবস্থা
যা কিছু চলে মুখস্থে বা রাত জেগে, তা আমরা বানিয়ে ফেলি লেখা, বারবার চালানো যায় এমন প্রক্রিয়া। বড় হওয়ার পরেও মান টেকে এভাবেই।
সৎ সীমারেখা
আমরা কোনো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ফার্ম নই, আর তেমন ভানও করি না। স্ট্যাটিউটরি অডিট, ট্যাক্স ফাইলিং আর আইনি মতামত যায় লাইসেন্সধারী ফার্মের কাছে, আর প্রতিটা পাতায় আমরা তা বলেও রাখি।
আপনার তথ্য আমরা যেভাবে আগলে রাখি।
- প্রতিটা এনগেজমেন্ট শুরু হয় এনডিএ দিয়ে; আপনার একটা সংখ্যাও দেখার আগে।
- অ্যাক্সেস মানুষ ধরে ধরে, যতটুকু দরকার ততটুকুই: কোনো ভাগাভাগির লগইন নেই, আর কে কী ধরেছেন তার রেকর্ড থাকে।
- আপনার হিসাব থাকে আপনার নিজের অ্যাকাউন্টিং প্ল্যাটফর্মে, আপনার নিজের সাবস্ক্রিপশনে। কখনো আলাদা হলে সবকিছু আপনার কাছেই থাকে।
- আপনার স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া ক্লায়েন্টের তথ্য কারও সাথে ভাগ করা হয় না।
শুরু হোক আপনার হিসাব একবার দেখা দিয়ে।
ত্রিশ মিনিট, কোনো খরচ নেই। সৎভাবে বলে দেব আমরা কাজে লাগব কি না, আর লাগলে খরচ কত।